ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে
ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে। স্বাস্থ্যকর, উজ্জ্বল ত্বক পেতে হলে একটি ধারাবাহিক ভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে। এটি নিয়মিত যত্ন, একটি সঠিক রুটিন এবং আপনার নিজস্ব ত্বক সম্পর্কে জানতে হবে। হেলদি খাবার এবং লাইফস্টাইল এর মাধ্যমেই সুস্থ ত্বক ও সুস্থ জীবনযাপন করার সম্ভব।
পোস্ট সুচিপত্রঃ ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে
- ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে
- ত্বকের যত্নের জন্য আগে আপনার ত্বকের ধরন সম্পর্কে জানতে হবে
- শরীর ও ত্বককে সুস্থ রাখতে হলে পানির বিকল্প নেই
- এক সপ্তাহে উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার সবচেয়ে সহজ সমাধান
- ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে
- আপনার ত্বকের ধরন কীভাবে নির্ধারণ করবেনঃ
- দৈনিক ত্বকের যত্নের প্রধান সমস্যাগুলি বের করতে হবে
- দৈনিক জীবনে ত্বকের যত্নের রুটিন
- নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োগে প্রচুর পানি পান করুন করুন
- ত্বকের সুরক্ষায় রোদে গেলে সানস্ক্রিম ব্যবহার করুন
- সন্ধ্যায় ত্বকের রুটিন জেনে নিন
- নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োগ করুন সন্ধ্যার রুটিন
- প্রডাক্ট নির্বাচনের কিছু জরুরি নিয়ম
- আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী রুটিন তৈরি করা
- তৈলাক্ত ত্বকের জন্য রুটিন সকালের ক্লিনজার
- মিশ্র ত্বকে বা কমিউনিকেশন স্কিন এর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রুটিন
- সংবেদনশীল ত্বকের জন্য রুটিনঃ সকালের ক্লিনজার
- মনে রাখার মত কিছু জরুরী কথা
- শেষ কথাঃ ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে
ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিন
সবাই চাই তার ত্বক পরিষ্কার এবং সতেজ হবে। কিন্তু ব্যস্ত জীবনে ধুলাবালির কারণে ত্বকের বারোটা বেজে যায়।ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে । চিন্তার কিছু নেই, মাত্র এক সপ্তাহে সঠিকভাবে ত্বককে নিয়ম ভাবে পরিচর্যা করলে ত্বকের অনেক সুন্দর ফলাফল পাওয়া যায়। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানো কোন ম্যাজিক নয়।
এটা প্রতিনিয়ত যত্ন নেওয়ার ফলে আপনার ত্বকে উজ্জ্বল এবং গ্লো ভাব চলে আসে। ত্বক হেলদি ও সুস্থ রাখতে হলে নিয়ম করে খাবার দাবার খেতে হবে। ভিটামিন খেতে হবে, প্রোটিন এর মাত্রা ঠিক রাখতে হবে। ভিটামিন সি খেতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে । তাহলে ত্বকের অনেক সুন্দর রেজাল্ট পাবেন।
ত্বকের যত্নের জন্য আগে আপনার ত্বকের ধরন সম্পর্কে জানতে হবে
একটি কার্যকর রুটিন তৈরি করার আগে, আপনার ত্বককে সম্পর্কে বোঝা সবচেয়ে জরুরি। ত্বকের যত্ন সবার জন্য এক রকম হয় না। একটি পণ্য যা একজনের জন্য দারুণ কাজ করে, তা অন্যজনের জন্য জ্বালা বা ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে। আপনার ত্বকের ধরন, সমস্যা এবং জীবনধারা সবই আপনার ত্বকের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শরীর ও ত্বককে সুস্থ রাখতে হলে পানির বিকল্প নেই
এক সপ্তাহে উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার সবচেয়ে সহজ সমাধান
ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে
আপনার ত্বকের ধরন কীভাবে নির্ধারণ করবেনঃ
দৈনিক ত্বকের যত্নের প্রধান সমস্যাগুলি বের করতে হবে
আপনার ত্বকের ধরন ছাড়াও, আপনার নির্দিষ্ট সমস্যাগুলি চিহ্নিত করতে হবে। এগুলি বংশগত হতে পারে, অথবা জীবনধারা এবং পরিবেশগত কারণের ফলাফল হতে পারে। সাধারণ সমস্যাগুলি হলো, ব্রণ বন্ধ লোমকূপ, অতিরিক্ত তেল এবং ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। হাইপারপিগমেন্টেশন সূর্যের ক্ষতি, ব্রণের দাগ বা হরমোনজনিত পরিবর্তনের মেলাজমা কারণে ত্বকে গাঢ় দাগ বা ছোপ।
দৈনিক জীবনে ত্বকের যত্নের রুটিন
নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োগে প্রচুর পানি পান করুন করুন
হায়ালুরোনিক অ্যাসিড যদি আপনার ত্বকে পানিশূন্যতার সমস্যা থাকে। তবে একটি হায়ালুরোনিক অ্যাসিড যুক্ত হাইড্রেটিং সিরাম আপনার ত্বকে আর্দ্রতা যোগাতে পারে। যা ত্বককে মসৃণ ও সতেজ দেখায়। আর্দ্রতা প্রদান করে মশ্চারাইজার, আপনার ত্বককে আর্দ্র এবং নরম রাখতে একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য হালকা, তেল-মুক্ত ময়েশ্চারাইজার এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য একটি সমৃদ্ধ, আরও ঘন ক্রিম বেছে নিন।
ত্বকের সুরক্ষায় রোদে গেলে সানস্ক্রিম ব্যবহার করুন
এটি যেকোনো ত্বকের যত্নের রুটিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সানস্ক্রিন আপনার ত্বককে ক্ষতিকর ইউভিএ এবং ইউভিবি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। যা অকাল বার্ধক্য বলিরেখা, সূক্ষ্ম রেখা এবং বয়সের দাগ এবং ত্বকের ক্যান্সারের প্রধান কারণ। কমপক্ষে এসপিএফ ৩০+ থেকে ৫০+ সহ একটি ভালো মানের সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন এবং আপনার মুখ, ঘাড় এবং অন্যান্য উন্মুক্ত অংশে সানস্ক্রিম প্রয়োগ করুন। প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর পুনরায় ব্যবহার করুন। বিশেষ করে যদি আপনি ঘামেন বা সাঁতার কাটেন।
ডাবল ক্লিনজ যদি আপনি মেকআপ বা ভারী সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন, তবে ডাবল ক্লিনজ অপরিহার্য। মেকআপ, সানস্ক্রিন এবং অতিরিক্ত তেল ভাঙার জন্য একটি তেল-ভিত্তিক ক্লিনজার বা মাইসেলার ওয়াটার দিয়ে শুরু করুন। এরপর একটি জল-ভিত্তিক ক্লিনজার দিয়ে অবশিষ্ট ময়লা পরিষ্কার করুন। এটি নিশ্চিত করে যে আপনার ত্বক পুরোপুরি পরিষ্কার হয়েছে।
সন্ধ্যায় ত্বকের রুটিন
যা আপনার ঘুমের সময় পুনরুজ্জীবিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন। সপ্তাহে একদিন হালকা স্প্রাব দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এটি মরা চামড়া ছড়িয়ে দেবে তবে খুব জোরে ঘষবেন না। কপাল ও নাকে তৈলাক্ত অংশে ক্লে মাক্স এবং শুষ্ক গালে হাইডেটিং মাছ লাগাতে পারেন একে বলা হয় মাল্টি মাঙ্কিং। সপ্তাহে একবার দুদিন অতিরিক্ত যত্ন নিলে ত্বক অনেক ভালো থাকে। অতিরিক্ত বা বারবার মুখ ধুলে ত্বক ড্রাই সন্ধায় ত্বকের রুটি সহজ ভাষায় আর্টিকেল লিখে দাও সহজ ভাষা আর্টিকেল লিখে দাওহয়ে যায়।
নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োগ করুন সন্ধ্যার রুটিন
প্রডাক্ট নির্বাচনের কিছু জরুরি নিয়ম
ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত সাত দিনে। ত্বকের ধরন বুঝুন। আপনার ত্বক তৈলাক্ত, শুষ্ক নাকি মিশ্র তা না জেনে কোন প্রোডাক্ট কিনবেন না। ব্যবহারের ফলে ব্রণ বা রেসের মতো সমস্যা হতে পারে। নতুন কোন প্রোডাক্ট পুরো মুখে লাগানোর আগে অবশ্যই কানের পেছনে বা হাতের চামড়ায় লাগিয়ে 24 ঘন্টা অপেক্ষা করুন। যদি কোন চুলকানি বা জ্বালাপোড়া না হয়, তবে সেটি মুখে ব্যবহার করুন।প্রসাধনে ব্যবহারের আগে অবশ্যই এর মেয়াদ বা এক্সপিয়ারী চেক করবেন।
মেয়াদোত্তীর্ণ প্রোডাক্ট ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। যতটা সম্ভব প্যারাবেন, অ্যালকোহল বা পড়া সুগন্ধি মুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। ভেষজ বা প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি জিনিস ত্বকের জন্য বেশি নিরাপদ। একসাথে বেশি প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন না। অল্প কিন্তু কার্যকারী প্রোডাক্ট নিয়মিত ব্যবহার করলে বেশি ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। মনে রাখবেন, ধৈর্যই হলো রূপচর্চার আসল চাবিকাঠি। কোন প্রোডাক্ট কাজ শুরু করতে অন্তত ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ সময় নিতে পারে।
আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী রুটিন তৈরি করা
প্রতিটি ত্বকের ধরনের জন্য কীভাবে মূল রুটিনটি কাস্টমাইজ করবেন। শুষ্ক ত্বকের জন্য রুটিনসকালের ক্লিনজার একটি হাইড্রেটিং, নন-ফোমিং ক্রিম বা তেল ক্লিনজার।সকালের সিরাম হাইড্রেশনের জন্য হায়ালুরোনিক অ্যাসিড এবং সুরক্ষার জন্য ভিটামিন সি সিরাম ।
সকালের ময়েশ্চারাইজার সিরামাইড এবং শিয়া বাটারের মতো উপাদানযুক্ত একটি সমৃদ্ধ, পুষ্টিকর ক্রিম।। রাতের ক্লিনজারঃ একটি মৃদু, হাইড্রেটিং তেল ক্লিনজার বা একটি নন-স্ট্রিপিং বাম।রাতের সিরাম একটি হাইড্রেটিং সিরাম এবং একটি মৃদু রেটিনয়েড । রাতের ময়েশ্চারাইজারঃ আর্দ্রতা ধরে রাখতে একটি ভারী নাইট ক্রিম বা একটি ফেসিয়াল তেল।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য রুটিন সকালের ক্লিনজার
ঝকঝকে সুন্দর ত্বকের মালিক হয়ে উঠুন মাত্র সাত দিনে। এটি কোন যাদু নয়। নিয়মিত পরিচর্যা করলে টক অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে। একটি ফোমিং বা জেল ক্লিনজার যা ত্বককে শুষ্ক না করে কার্যকরভাবে তেল দূর করে। সকালের সিরাম তেল নিয়ন্ত্রণ এবং লোমকূপ কমাতে একটি নিয়াসিনামাইড সিরাম এবং একটি হালকা ভিটামিন সি সিরাম।।সকালের ময়েশ্চারাইজার একটি হালকা, তেল-মুক্ত, নন-কমেডোজেনিক জেল বা লোশন।
রাতের ক্লিনজার একটি তেল ক্লিনজার এবং একটি জেল ক্লিনজার দিয়ে ডাবল ক্লিনজ রাতের সিরাম লোমকূপ পরিষ্কার রাখতে একটি বিএইচএ স্যালিসিলিক অ্যাসিড সিরাম এবং তেল নিয়ন্ত্রণ ও ব্রণের চিকিৎসার জন্য একটি রেটিনয়েড। রাতের ময়েশ্চারাইজার একটি হালকা, তেল-মুক্ত ময়েশ্চারাইজার।
মিশ্র ত্বকে বা কমিউনিকেশন স্কিন এর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রুটিন
সংবেদনশীল ত্বকের জন্য রুটিনঃ সকালের ক্লিনজার
রাতের ক্লিনজার: একটি মৃদু ক্রিম বা লোশন ক্লিনজার। যদি আপনার ত্বক প্রতিক্রিয়াশীল হয় তবে ডাবল ক্লিনজ এড়িয়ে চলুন।। রাতের সিরাম: শান্ত এবং ত্বক-সুরক্ষা মেরামতকারী উপাদানগুলিতে মনোযোগ দিন। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া শক্তিশালী অ্যাসিড এবং রেটিনয়েড এড়িয়ে চলুন।রাতের ময়েশ্চারাইজার: সিরামাইড বা ওট নির্যাসযুক্ত একটি প্রশান্তিদায়ক ক্রিম।
মনে রাখার মত কিছু জরুরী কথা
হাইড্রেটেড থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পানি টক্সিন বের করে দেয় এবং আপনার ত্বককে মসৃণ ও সতেজ রাখে। ঘুম: "বিউটি স্লিপ" কোনো মিথ নয়। আপনি যখন ঘুমান তখন আপনার ত্বক নিজেকে মেরামত এবং পুনরুজ্জীবিত করে। প্রতি রাতে ৭-৯ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। মানসিক চাপ, উচ্চ মানসিক চাপ প্রদাহ এবং ব্রণ, একজিমা এবং সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের অবস্থার কারণ হতে পারে।
মানসিক চাপ পরিচালনা করার জন্য স্বাস্থ্যকর উপায় খুঁজে বের করুন, তা ধ্যান, ব্যায়াম বা শখের মাধ্যমেই হোক।এক্সফোলিয়েশন: নিয়মিত, মৃদু এক্সফোলিয়েশন উজ্জ্বল ত্বকের জন্য জরুরি। তবে, অতিরিক্ত এক্সফোলিয়েশন আপনার ত্বকের সুরক্ষা স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী সপ্তাহে ১-৩ বার ব্যবহার করুন।
অযথা টেনশন এড়িয়ে চলুন। ব্রণ বা ত্বকের খোসা ছাড়ানো প্রদাহ, দাগ এবং দাগের পরের হাইপারপিগমেন্টেশনের কারণ হতে পারে। পেশাদার চিকিৎসা: যদি আপনার সমস্যাগুলি থেকে থাকে, তাহলে পেশাদার চিকিৎসা বিবেচনা করুন। একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আপনাকে কেমিক্যাল পিল, লেজার থেরাপি এবং মাইক্রোডার্মাব্রেশন-এর মতো বিকল্পগুলি সুপারিশ করতে পারেন।



রান্না ও গল্পকথার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url